পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫

সহযোগীতায় ল’একাডেমী- অ্যাড্‌ নাছের মিয়াজী ০১৮১২৯৯৩৭৬১

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম।― এই বিধিমালা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫ নামে অভিহিত হইবে।

২। সংজ্ঞা।― বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই বিধিমালায়, —
(১) “আইন” অর্থ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৩৫ নং আইন);
(২) “উপযুক্ত কর্মকর্তা” অর্থ রেজিস্ট্রেশন আইনের section 33 এ উল্লিখিত যে কোন কর্মকর্তা;
(৩) “কালেক্টর” অর্থ General Clauses Act, 1897 (Act no. X of 1897) এর section 3 এর sub-section (10) এ সংজ্ঞায়িত কোন জেলার রাজস্ব প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান কর্মকর্তা, এবং উক্ত জেলার ডেপুটি কমিশনারও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবেন;
(৪) “তফসিল” অর্থ এই বিধিমালার তফসিল;
(৫) “পাওয়ারদাতা” অর্থ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল সম্পাদনকারী;
(৬) “পাওয়ারগ্রহীতা” বা “অ্যাটর্নি” অর্থ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল সম্পাদনকারী কর্তৃক নিযুক্ত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি;
(৭) “বিশেষ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি” অর্থ প্রমাণীকরণের উদ্দেশ্যে রেজিস্ট্রেশন আইনের section 33 এর অধীন প্রস্তুতকৃত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি;
(৮) “রেজিস্ট্রেশন আইন” অর্থ Registration Act, 1908 (Act no. XVI of 1908) এবং
(৯) “স্ট্যাম্প আইন” অর্থ Stamp Act, 1899 (Act no. II of 1899)।

৩। পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে ক্ষমতা অর্পণ।— পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে ক্ষমতা অর্পণের ক্ষেত্রে উহাতে নিম্নবর্ণিত সকল বা প্রয়োজনীয় বিষয়ের বিবরণ অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে, যথা :—
(ক) পাওয়ারদাতার উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায়;
(খ) পাওয়ার গ্রহীতার দায়িত্ব, ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা, যদি থাকে;
(গ) পাওয়ার অব অ্যাটর্নির নির্দিষ্ট মেয়াদ, যদি থাকে;
(ঘ) প্রদেয় ক্ষমতা শর্তাধীন হইলে উহার সুস্পষ্ট বিবরণ;
(ঙ) ক্ষমতা প্রদানের বা নির্বাহের বিবরণ, যদি উহা একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক যৌথভাবে, বা পৃথকভাবে প্রদেয় হয়; অথবা যদি উহা একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক যৌথভাবে, বা পৃথকভাবে, বা যৌথ ও পৃথক উভয়ভাবেই নির্বাহিত হয়;
(চ) আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ের বিবরণ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে;
(ছ) স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে;
(জ) রেজিস্ট্রেশন আইনের section 52A তে বিধৃত বিষয়ের বিবরণ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে।

৪। পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে ক্ষমতা অর্পণে সীমাবদ্ধতা।― আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, এই বিধিমালার অধীন পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে নিম্নবর্ণিত বিষয়ে কোন ক্ষমতা অর্পণ করা যাইবে না, যথা :—
(১) উইল সম্পাদন, বা দাতা কর্তৃক সম্পাদিত উইল নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিলকরণ;
(২) দত্তক গ্রহণের ক্ষমতাপত্র সম্পাদন; বা দাতা কর্তৃক সম্পাদিত দত্তক গ্রহণের ক্ষমতাপত্র নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিলকরণ;
(৩) দান ও হেবা সম্পর্কিত ঘোষণা সম্পাদন;
(৪) ট্রাস্ট দলিল সম্পাদন; এবং
(৫) সরকার কর্তৃক, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, ঘোষিত অন্য প্রকার দলিল বা কার্য সম্পাদন। 

৫। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি স্ট্যাম্পযুক্তকরণ।― (১) বাংলাদেশে সম্পাদিত কোন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি এবং উহার প্রত্যেক প্রতিলিপির ক্ষেত্রে, স্ট্যাম্প আইনের schedule I এর serial no. 48 ও serial no. 25 অনুসারে স্ট্যাম্প শুল্ক প্রদেয় হইবে।
(২) বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত প্রত্যেক পাওয়ার অব অ্যাটর্নি এবং উহার প্রত্যেক প্রতিলিপি, বাংলাদেশে প্রথম প্রবেশের পর ৩ (তিন) মাসের মধ্যে স্ট্যাম্প আইনের schedule I এর serial no. 48 ও serial no. 25 অনুসারে যথাযথরূপে স্ট্যাম্পযুক্ত করিতে হইবে অথবা, ক্ষেত্রমত, Stamp Duties (Additional Modes of Payment) Act, 1974 (Act no. LXXI of 1974) অনুসারে উক্ত পাওয়ার অব অ্যাটর্নির স্ট্যাম্প শুল্ক প্রদেয় হইবে।
(৩) কোন পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে, যদি একাধিক পাওয়ারদাতা পৃথক পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন ক্ষমতা প্রদান করেন, অথবা পাওয়ারগ্রহীতা পৃথক পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন কার্য–সম্পাদনের ক্ষমতা প্রাপ্ত হন, তাহা হইলে উক্ত পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প আইনের section 5 অনুসারে স্ট্যাম্প শুল্ক প্রদেয় হইবে।
(৪) উপ–বিধি (১), (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্তরূপ পাওয়ার অব অ্যাটর্নির আইনগত প্রকৃতি উহার বিষয়বস্তু দ্বারা নির্ধারিত হইবে, উহাতে প্রদত্ত স্ট্যাম্প শুল্ক দ্বারা নহে। 

৬। বিশেষ পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে ক্ষমতা অর্পণ।―(১) বিশেষ পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে ক্ষমতা অর্পণ করা যাইবে, যথা :—
(ক) যেক্ষেত্রে পাওয়ারদাতা স্বয়ং কোন দলিল সম্পাদন করেন, কিন্তু পাওয়ারগ্রহীতা উক্ত দলিল নিবন্ধনের জন্য উপযুক্ত সাব–রেজিস্ট্রার এর কার্যালয়ে দাখিলপূর্বক পাওয়ারদাতার পক্ষে সম্পাদন স্বীকার করেন; বা
(খ) যেক্ষেত্রে পাওয়ারদাতা কর্তৃক সম্পাদিত কোন দলিল পাওয়ারগ্রহীতা উপযুক্ত সাব–রেজিস্ট্রার এর কার্যালয়ে দাখিল করেন; বা
(গ) যেক্ষেত্রে পাওয়ারদাতার অনুকূলে সম্পাদিত কোন দলিল পাওয়ারগ্রহীতা উপযুক্ত সাব–রেজিস্ট্রার এর কার্যালয়ে দাখিল করেন।
(২) উপ বিধি (১) এর অধীন বিশেষ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধি ৭ এ বিধৃত পদ্ধতিতে উপযুক্ত কর্মকর্তা কর্তৃক প্রমাণীকরণ (Authentication) করিতে হইবে।

৭। বিশেষ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রস্তুত ও প্রমাণীকরণ পদ্ধতি।―(১) এই বিধিমালার তফসিল ক এর ফরম–১ অনুসরণক্রমে বিশেষ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল প্রস্তুত করিতে হইবে।

(২) উক্তরূপ প্রস্তুতকৃত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, প্রমাণীকরণের জন্য উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট পাওয়ারদাতা কর্তৃক দাখিলপূর্বক তাহার সম্মুখে সম্পাদন করিতে হইবে, অথবা যদি দলিলটি পূর্বেই পাওয়ারদাতা কর্তৃক সম্পাদিত হইয়া থাকে, তাহা হইলে উপযুক্ত কর্মকর্তার সম্মুখে উহা পুনঃ সম্পাদন করিতে হইবে।
(৩) উক্তরূপ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলে পাওয়ারদাতা এবং পাওয়ারগ্রহীতা উভয়ের পাসপোর্ট আকারের (সাদা পটভূমিতে সম্প্রতি গৃহীত) রঙিন ছবি সংযুক্তক্রমে উহার উপর আড়াআড়িভাবে তাহাদের স্ব স্ব স্বাক্ষর ও টিপসহি প্রদান করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন পক্ষ—
(ক) নাম স্বাক্ষর করিতে অক্ষম হন, তাহা হইলে তাহার পরিচিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক
তাহার নাম বকলমে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে; অথবা
(খ) টিপসহি প্রদানে অসমর্থ হন, তাহা হইলে উক্ত বিষয়ে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক তাহার পরিচিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক মন্তব্য লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(৪) উপ–বিধি (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উক্তরূপ
দলিলে, অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত বা, ক্ষেত্রমত, কাগজ–পত্র সংযুক্ত করিতে
হইবে, যথা :—
(ক) পাওয়ারদাতা এবং পাওয়ারগ্রহীতা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ বা পাসপোর্টের ফটোকপি;
(খ) পাওয়ারদাতা কর্তৃক প্রদেয়, এবং পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক সম্পাদিতব্য, সুনির্দিষ্ট বা
বিশেষ ক্ষমতা ও দায়িত্বসমূহের সুস্পষ্ট বিবরণ;
(গ) আর্থিক দায় ও দায়িত্ব, যদি থাকে;
(ঘ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সম্পত্তির পূর্ণ বিবরণ।

৮। সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিবন্ধন–পূর্ব অনুসরণীয় পদ্ধতি।― (১) এই বিধিমালার তফসিল ক এর ফরম–১ অনুসরণক্রমে সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল প্রস্তুত করিতে হইবে।
(২) উক্তরূপ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলে পাওয়ারদাতা এবং পাওয়ারগ্রহীতা উভয়ের পাসপোর্ট আকারের (সাদা পটভূমিতে সম্প্রতি গৃহীত) রঙিন ছবি সংযুক্তক্রমে উহার উপর আড়াআড়িভাবে তাহাদের স্ব স্ব স্বাক্ষর ও টিপসহি প্রদান করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন পক্ষ—
(ক) নাম স্বাক্ষর করিতে অক্ষম হন, তাহা হইলে তাহার পরিচিত কোন ব্যক্তি দ্বারা তাহার নাম বকলমে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে; অথবা
(খ) টিপসহি প্রদানে অসমর্থ হন, তাহা হইলে উক্ত বিষয়ে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক তাহার পরিচিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক মন্তব্য লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।

(৩) উপ–বিধি (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উক্তরূপ দলিলে, অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত বা, ক্ষেত্রমত, কাগজ–পত্র সংযুক্ত করিতে হইবে, যথা :—
(ক) পাওয়ারদাতা এবং পাওয়ারগ্রহীতা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ বা পাসপোর্টের ফটোকপি;
(খ) দলিলে পক্ষগণের অভিপ্রায় প্রতিফলনের প্রয়োজনীয় তথ্যাদিসহ পাওয়ারদাতা কর্তৃক প্রদেয় এবং পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক সম্পাদিতব্য ক্ষমতা ও দায়িত্বসমূহের সুস্পষ্ট বিবরণ;
(গ) আর্থিক দায় ও দায়িত্ব, যদি থাকে;
(ঘ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সম্পত্তির পূর্ণ বিবরণ;
(ঙ) প্রদেয় ক্ষমতা প্রয়োগের নির্দিষ্ট মেয়াদ, যদি থাকে;
(চ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীন Section 52A তে বিধৃত বিষয়ের বিবরণ;
(ছ) পক্ষগণের অভিপ্রায় প্রতিফলনের নিমিত্ত অন্য কোন তথ্য বা বিশেষ শর্ত;
(জ) স্থাবর সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত থাকিলে এই বিধিমালার তফসিল ক এর ফরম–২
অনুসরণক্রমে পাওয়ারদাতা প্রদত্ত হলফনামা।

৯। অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিবন্ধন–পূর্ব অনুসরণীয় পদ্ধতি।― (১) এই বিধিমালার তফসিল ক এর ফরম–১ অনুসরণক্রমে পণমূল্য গ্রহণের বিনিময়ে বা পণমূল্য ব্যতীত অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল প্রস্তুত করিতে হইবে।
(২) উক্তরূপ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলে পাওয়ারদাতা এবং পাওয়ারগ্রহীতা উভয়ের পাসপোর্ট আকারের (সাদা পটভূমিতে সম্প্রতি গৃহীত) রঙিন ছবি সংযুক্তক্রমে উহার উপর আড়াআড়িভাবে তাহাদের স্ব স্ব স্বাক্ষর ও টিপসহি প্রদান করিতে হইবে : তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন পক্ষ—
(ক) নাম স্বাক্ষর করিতে অক্ষম হন, তাহা হইলে তাহার পরিচিত কোন ব্যক্তি দ্বারা তাহার নাম বকলমে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে; অথবা
(খ) টিপসহি প্রদানে অসমর্থ হন, তাহা হইলে উক্ত বিষয়ে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক তাহার পরিচিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক মন্তব্য লিপিবদ্ধ করিতে হইবে,
(৩) উপ–বিধি (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উক্তরূপ দলিলে, অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত বা, ক্ষেত্রমত, কাগজ–পত্র সংযুক্ত করিতে হইবে, যথা :—
(ক) পাওয়ারদাতা এবং পাওয়ারগ্রহীতা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ বা পাসপোর্টের ফটোকপি;
(খ) দলিলে পক্ষগণের অভিপ্রায় প্রতিফলনের প্রয়োজনীয় তথ্যাদিসহ পাওয়ারদাতা কর্তৃক প্রদেয় এবং পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক সম্পাদিতব্য ক্ষমতা ও দায়িত্বসমূহের সুস্পষ্ট বিবরণ;
(গ) স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে, বিক্রয় চুক্তি সম্পাদনের বা ঋণ গ্রহণের বিপরীতে
স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক প্রদানের জন্য ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে উহার বিবরণসহ সম্পত্তির তফসিল পরিচয়; অথবা স্থাবর সম্পত্তির বিপরীতে পণমূল্য গ্রহণের বিনিময়ে ভূমি উন্নয়নসহ দলিল সম্পাদনের ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে উহার বিবরণসহ যে ভূমির উন্নয়ন করা হইবে উহার তফসিল পরিচয় ও উহাতে সৃজিতব্য প্লটের বা নির্মিতব্য ভবনের বিস্তারিত বিবরণ; অথবা ভূমি উন্নয়ন ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কোন ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে উহার বিবরণসহ সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা;
(ঘ) ভূমি উন্নয়ন সংক্রান্ত কোন ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে, প্রস্তাবিত ভূমি উন্নয়ন কার্য সম্পন্নের পর পাওয়ারগ্রহীতা উহা হইতে অর্জিত যে অংশ প্লট, ইমারত বা স্পেস আকারে বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন উহার বিবরণ;
(ঙ) আইনের ধারা ২(২) অনুসারে সম্পত্তির পণমূল্য;
(চ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পাওয়ারদাতা কর্তৃক গৃহীত কোন অর্থ, যদি থাকে, বা কোন আর্থিক লেনদেন, যদি হয়, তবে উহার বিবরণ;
(ছ) প্রদেয় ক্ষমতা প্রয়োগের নির্দিষ্ট মেয়াদ;
(জ) রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীন Section 52A তে বিধৃত বিষয়ের বিবরণ;
(ঝ) পক্ষগণের অভিপ্রায় প্রতিফলনের নিমিত্ত অন্য কোন তথ্য বা বিশেষ শর্ত;
(ঞ) এই বিধিমালার তফসিল ক এর ফরম–২ অনুসরণক্রমে পাওয়ারদাতা প্রদত্ত হলফনামা। 

১০। বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি।― (১) বাংলাদেশের বাহিরে বিশেষ, সাধারণ বা অপ্রত্যাহারযোগ্য প্রত্যেক পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল, এই বিধিমালার তফসিল ক এর ফরম–৩ অনুসরণক্রমে, দুই প্রস্থে, মূল ও প্রতিলিপি আকারে, প্রস্তুত করিতে হইবে।

(২) উক্তরূপ দলিলে পাওয়ারদাতা এবং পাওয়ারগ্রহীতা উভয়ের পাসপোর্ট আকারের (সাদা পটভূমিতে সম্প্রতি গৃহীত) রঙ্গীন ছবি সংযুক্তক্রমে উভয় ছবি সনাক্তপূর্বক পাওয়ারদাতাকে আড়াআড়িভাবে দস্তখত ও টিপসহি প্রদান করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যদি পাওয়ারদাতা নাম স্বাক্ষর করিতে অক্ষম হন বা টিপসহি প্রদানে অসমর্থ হন, তাহা হইলে তাহার পরিচিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত বিষয়ে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক মন্তব্যসহ উভয় ছবি সনাক্তপূর্বক পাওয়ারদাতার নাম বকলমে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(৩) উপ–বিধি (১) এর অধীন প্রস্তুতকৃত পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মূল ও প্রতিলিপি, প্রমাণীকরণের জন্য উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট পাওয়ারদাতা কর্তৃক দাখিলপূর্বক তাহার সম্মুখে সম্পাদন করিতে হইবে, অথবা যদি উহা পূর্বেই পাওয়ারদাতা কর্তৃক সম্পাদিত হইয়া থাকে, তাহা হইলে উপযুক্ত কর্মকর্তার সম্মুখে তাহাকে উক্তরূপ পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মূল ও প্রতিলিপি পুনঃ সম্পাদন করিতে হইবে।
(৪) উপ–বিধি (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উক্তরূপ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলে পাওয়ারদাতার পাসপোর্টের বিবরণসহ বিশেষ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের ক্ষেত্রে বিধি ৭ এর উপ–বিধি (৪), সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের ক্ষেত্রে বিধি ৮ এর উপ–বিধি (৩) এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের ক্ষেত্রে বিধি ৯ এর উপ–বিধি (৩) এ বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত বা, ক্ষেত্রমত, কাগজ–পত্র সংযুক্ত করিতে হইবে।
(৫) পাওয়ারগ্রহীতা, উক্তরূপ প্রমাণীকৃত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ও উহার প্রতিলিপি বাংলাদেশে প্রথম প্রবেশের পর, (ক) ২ (দুই) মাসের মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোন উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট দাখিলপূর্বক উক্ত কর্মকর্তা দ্বারা উল্লিখিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ও উহার প্রতিলিপির সত্যায়ন কার্য সম্পন্ন করাইয়া লইবেন;
(খ) ৩ (তিন) মাসের মধ্যে স্ট্যাম্প আইনের বিধান অনুসারে স্ট্যাম্পযুক্তকরণের, বা ক্ষেত্রমত, Stamp Duties (Additional Modes Mode of Payment) Act, 1974 (Act no LXXI of 1974) অনুসারে স্ট্যাম্পশুল্ক পরিশোধের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন এবং উক্তক্ষেত্রে স্ট্যাম্প আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে;
(গ) ৪ (চার) মাসের মধ্যে উক্ত মূল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে যথাযথ ফিসহ সংশ্লিষ্ট সাব–রেজিস্ট্রার এর নিকট দাখিল করিবেন এবং উক্তক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।

১১। বিদেশে ব্যবহার্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি।― (১) বাংলাদেশে নিবন্ধিত বা প্রমাণীকৃত প্রত্যেক পাওয়ার অব অ্যাটর্নি যাহা বাংলাদেশের বাহিরে কোন দেশ বা স্থানে ব্যবহৃত হইবে, উহা Notaries Ordinance, 1961 (Ordinance No. XIX off 1961 এর Section 8 অনুসারে বাংলাদেশের কোন এখতিয়ার সম্পন্ন নোটারী পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত, সিলমোহরকৃত ও স্বাক্ষরিত হইতে হইবে,
(২) উপ–বিধি (১) এর অধীন সত্যায়িত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাংলাদেশের বাহিরে কোন দেশ বা স্থানে ব্যবহারের পূর্বে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ কর্তৃক যাচাই ও প্রত্যয়ন করিতে হইবে।

১২। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অবসান পরবর্তী কার্যক্রম।― (১) আইনের ধারা ১১ এর উপ–ধারা (১) এর অধীন কোন পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল হইলে বা উহার অবসান ঘটিলে বিষয়টি অনতিবিলম্বে পাওয়ারদাতা বা পাওয়ারগ্রহীতা বা তাহাদের বৈধ প্রতিনিধি বা অন্য কোন স্বার্থযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক তফসিল খ এর ফরম–১ অনুসরণে প্রস্তুতকৃত একটি নোটিস সংশ্লিষ্ট সাব–রেজিস্ট্রার এর নিকট তাহার কার্যালয়ে ১ নং বহিতে নথিভুক্তকরণের নিমিত্ত বা অন্য কোন উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত দাখিল করিতে হইবে।
(২) আইনের ধারা ১১ এর উপ–ধারা (২) এর অধীন পাওয়ারদাতা কর্তৃক পাওয়ারগ্রহীতার ক্ষমতার অবসান ঘটানো হইলে, অথবা উক্ত ধারার উপ–ধারা (৩) এর অধীন পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক দায়িত্ব পরিত্যাগ করা হইলে, পাওয়ারদাতা বা, ক্ষেত্রমত, পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক তফসিল খ এর ফরম–২ অনুসরণে প্রস্তুতকৃত নোটিসের একটি কপি সংশ্লিষ্ট সাব–রেজিস্ট্রার এর নিকট তাহার কার্যালয়ে ১নং বহিতে নথিভুক্তকরণের নিমিত্ত বা অন্য কোন উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত দাখিল করিতে হইবে।

১৩। দলিল নিবন্ধনের মাধ্যমে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অবসান।― (১) নিম্নবর্ণিত যে কোন দলিল নিবন্ধনের কারণে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অবসান ঘটিবে, যথা :—
(ক) পাওয়ারদাতা ও পাওয়ারগ্রহীতা, উভয়পক্ষের সম্মতিতে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি রদের নিমিত্ত কোন দলিল; বা
(খ) সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলে পাওয়ারদাতা কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতা রদের বা পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক তাহার উপর অর্পিত ক্ষমতা পরিত্যাগের শর্ত উল্লেখ থাকা সাপেক্ষে, উক্তরূপ রদ বা পরিত্যাগের ঘোষণা সংক্রান্ত দলিল।
(২) উপ–বিধি (১) এর অধীন দলিল নিবন্ধনের কারণে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অবসানের ক্ষেত্রে
পাওয়ারদাতা বা পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক অনতিবিলম্বে উক্ত নিবন্ধিত দলিলের সহিমোহরকৃত নকল সহযোগে তফসিল খ এর ফরম–৩ অনুসরণক্রমে প্রস্তুতকৃত একটি নোটিস উপযুক্ত কর্মকর্তা বা ব্যক্তির নিকট, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত প্রেরণ করিতে হইবে।

১৪। কোম্পানি, ইত্যাদির ক্ষেত্রে নোটিশ জারি।―আইনের ধারা ৫ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, পাওয়ারদাতা ও পাওয়ারগ্রহীতা যদি—
(ক) কোন কোম্পানি, সমিতি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, সমবায় সমিতি বা প্রতিষ্ঠান হয়, তাহা হইলে—
(অ) উক্তরূপ কোম্পানি, সমিতি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, সমবায় সমিতি বা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বা ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালক বা সেক্রেটারি বা প্রধান কর্মকর্তার উপর, বা 

(আ) প্রাপ্তিস্বীকারের রসিদযুক্ত রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বা ক্যুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে উক্তরূপ কোম্পানি, সোসাইটি বা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধিত কার্যালয়ে অথবা এইরূপ নিবন্ধিত কার্যালয় না থাকিলে যে স্থানে উক্ত কোম্পানি, সমিতি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, সমবায় সমিতি বা প্রতিষ্ঠান তাহাদের ব্যবসায়িক কাজ–কর্ম পরিচালনা করেন, সেই স্থানে,
(খ) কোন অংশীদারি কারবার সম্পর্কিত ফার্ম হয়, তাহা হইলে—
(অ) উহার এক বা একাধিক অংশীদারের উপর, বা (আ) নোটিস জারির সময় উহার প্রধান কার্যালয়ের দায়িত্বে নিযুক্ত ব্যক্তির উপর,
(গ) একক ব্যক্তি হয়, তাহা হইলে—
(অ) পাওয়ারদাতা বা পাওয়ারগ্রহীতার উপর, বা
(আ) পাওয়ারদাতা বা পাওয়ারগ্রহীতার আবাসস্থলে বা উক্তরূপ ব্যক্তি সাধারণত যেখানে বসবাস করেন বলিয়া জানা যায় সেই ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারের রশিদযুক্ত রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বা ক্যুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে, নোটিস জারি করা হইলে, উহা যথাযথভাবে জারি করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

১৫। বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থানরত পাওয়ারদাতা বা পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল বা প্রত্যর্পণের নোটিস প্রদান।―বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থানরত কোন পাওয়ারদাতা বা পাওয়ারগ্রহীতাকে, বিধি ১২ বা বিধি ১৩ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন নোটিস দ্বারা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অবসান বা প্রত্যর্পণের নিমিত্ত, বিধি ১০ এর অধীন পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে একজন অ্যাটর্নি নিয়োগ করিতে হইবে।

১৬। বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি।―(১) আইনের ধারা ১৩ এর উপ–ধারা (৩) এর অধীন নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী—
(ক) নিয়োগপ্রাপ্তির ২ (দুই) সপ্তাহের মধ্যে সকল বিবদমান পক্ষের উপস্থিতিতে কোন নিরপেক্ষ স্থানে একটি মীমাংসা বৈঠকের উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন, এবং বিরোধের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অনুসন্ধান করিবেন;
(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত উক্তরূপ বৈঠক অনুষ্ঠানের পর পরবর্তী ৪ (চার) সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের সহিত যৌথভাবে ও প্রয়োজনে পৃথকভাবে যোগাযোগক্রমে মৌখিক শুনানি বা দালিলিক প্রমাণাদির ভিত্তিতে বিরোধ মীমাংসার কার্যক্রম পরিচালনা করিবেন, এবং বিরোধ মীমাংসার সম্ভাব্য শর্ত বা শর্তসমূহ নির্ধারণ করিবেন;

(গ) দফা (খ) এ উল্লিখিত কার্যক্রম সফল হওয়া সাপেক্ষে, পরবর্তী ২ (দুই) সপ্তাহের মধ্যে বিরোধের প্রকৃতি অনুসারে মীমাংসা সম্পর্কিত একটি লিখিত খসড়া প্রস্তুত করিবেন, যাহাতে বিরোধ মীমাংসার নিয়ম ও শর্তসমূহের উল্লেখ থাকিবে;
(ঘ) দফা (গ) অনুসারে প্রস্তুতকৃত মীমাংসার চুক্তি বা রোয়েদাদ সম্পর্কিত খসড়া অবিলম্বে বিবদমান পক্ষগণের জ্ঞাতার্থে প্রদান করিবেন, এবং উক্তরূপ মীমাংসার চুক্তি বা রোয়েদাদ দলিলে বর্ণিত শর্ত বা শর্তসমূহ পক্ষগণ কর্তৃক গৃহীত হওয়া সাপেক্ষে উহা চূড়ান্ত করিবেন; এবং
(ঙ) উক্তরূপ মীমাংসার চুক্তিপত্র দলিল বা রোয়েদাদ দলিল স্ট্যাম্প আইনের বিধান অনুসারে স্ট্যাম্পযুক্ত করিয়া উহাতে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ও সাক্ষীর স্বাক্ষর গ্রহণপূর্বক নিজ স্বাক্ষর প্রদান করিবেন, এবং রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের নিমিত্ত উক্তরূপ দলিল সংশ্লিষ্ট সাব–রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আইন বা এই বিধির অধীন পরিচালিত মীমাংসা কার্যক্রমের ব্যর্থতায় সংশ্লিষ্ট যে কোন পক্ষ বিবদমান বিষয়টি নিষ্পত্তির নিমিত্ত স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত আদালতে বিরোধের মীমাংসা বা অন্য কোন আদেশ প্রার্থনা করিয়া এইরূপভাবে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন যেন মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেওয়া হয় নাই বা বিরোধ নিষ্পত্তির শর্ত বা শর্তসমূহ গৃহীত হয় নাই।
(২) আইনের ধারা ১৩ এর উপ–ধারা (৫) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, এই বিধি মোতাবেক বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ ব্যতীত উপযুক্ত কোন আদালতে বিরোধ নিষ্পত্তির মামলা দায়ের করা যাইবে না।
(৩) পক্ষগণ অন্যভাবে সম্মত না হইলে, উক্তরূপ বিরোধের মীমাংসা হউক বা না হউক, এতদুদ্দেশ্যে যাবতীয় ব্যয় বিবদমান পক্ষগণ কর্তৃক সমহারে প্রদেয় হইবে।

তফসিল ক
ফরম– ১

বিশেষ, সাধারণ বা অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি [বিধি ৭(১), ৮(১) বা ৯(১) দ্রষ্টব্য]

[দ্রষ্টব্য : (১) নিম্নবর্ণিত ২ ও ৩ নং অনুচ্ছেদে লিপিবদ্ধ বিবরণের পার্শ্বে যথাক্রমে পাওয়ারদাতা ও পাওয়ারগ্রহীতার পাসপোর্ট আকারের সাদা পটভূমিতে সম্প্রতি তোলা রঙিন ছবি সংযুক্তক্রমে উহাতে আড়াআড়িভাবে তাহাদের স্ব স্ব স্বাক্ষর ও টিপ প্রদান করিতে হইবে, যদি কেহ নাম স্বাক্ষর করিতে অক্ষম হন, তাহা হইলে তাহার পরিচিত কোন ব্যক্তি দ্বারা তাহার নাম বকলমে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে; (২) স্থাবর সম্পত্তির বর্ণনা সম্বলিত সাধারণ ও অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পাওয়ারদাতা কর্তৃক
বা তাহার পক্ষে হলফনামা প্রদান করিতে হইবে; (৩) দলিলের প্রকৃতি অনুসারে যে সকল অনুচ্ছেদের প্রয়োজন হইবে না উহার/উহাদের পার্শ্বে ‘প্রযোজ্য নয়’ উল্লেখ করিতে হইবে; (৪) “পরিচিতি” অর্থ রেজিস্ট্রেশন আইনের
Section 2 এর Sub-Section(1) এ প্রদত্ত Addition এর সংজ্ঞা অনুসারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচিতি। ]
ক্রমিক নম্বর … বহি নম্বর … দলিল নম্বর … সন … তারিখ … (যাহা প্রযোজ্য) কার্যালয়ের নাম ও ঠিকানা :
দলিলের প্রকৃতি মৌজা থানা/উপজেলা জেলা পণমূল্য (যদি থাকে)

১। সম্পাদনের তারিখ :
২। পাওয়ারদাতা/দাতাগণের নাম ও পরিচিতি :
৩। পাওয়ার গ্রহীতা/গ্রহীতাগণের নাম ও পরিচিতি :
৪। পাওয়ারদাতা এবং পাওয়ারগ্রহীতা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের বা জন্ম–নিবন্ধন সনদের বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, পাসপোর্টের নম্বরসহ উহার ফটোকপি :
৫। দলিলে পক্ষগণের অভিপ্রায় প্রতিফলনের প্রয়োজনীয় তথ্যাদিসহ পাওয়ারদাতা কর্তৃক প্রদেয় বিশেষ, সাধারণ বা অপ্রত্যাহারযোগ্য ক্ষমতা এবং পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক সম্পাদিতব্য দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহের বিস্তারিত বিবরণ :
৬। স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়, বিক্রয়ের চুক্তি বা ঋণ গ্রহণের বিনিময়ে বন্ধক প্রদান সংক্রান্ত ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে উহার বিবরণসহ সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা; অথবা ভূমি উন্নয়ন সংক্রান্ত কোন ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে, উহার বিবরণ ও উহাতে সৃজিতব্য প্লটের বা নির্মিতব্য ভবনের বিস্তারিত বিবরণসহ সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা; অথবা ভূমি উন্নয়ন ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কোন ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে উহার বিবরণসহ সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা; অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা :
৭। ভূমি উন্নয়ন সংক্রান্ত কোন ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে, প্রস্তাবিত ভূমি উন্নয়ন কার্য সম্পন্নের পর উহা হইতে
অর্জিত যে অংশ পাওয়ারগ্রহীতা প্লট, ইমারত বা স্পেস আকারে বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত
হইবেন উহার বিবরণ:
৮। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আইনের ধারা ২(২) অনুসারে সম্পত্তির পণমূল্য:
৯। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পাওয়ারদাতা কর্তৃক গৃহীত কোন অর্থ, যদি থাকে, বা কোন আর্থিক লেনদেন, যদি
হয়, তবে উহার বিবরণ:
১০। আর্থিক দায় ও দায়িত্ব, যদি থাকে, উহার বিবরণ:
১১। প্রদেয় ক্ষমতা প্রয়োগের নির্দিষ্ট মেয়াদ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে:
১২। পাওয়ারদাতা একাধিক হইলে তাহারা যৌথভাবে, বা পৃথকভাবে ক্ষমতা প্রদান করিয়াছেন কিনা উহার বিবরণ; এবং নিযুক্ত অ্যাটর্নি একাধিক হইলে তাহারা যৌথভাবে, বা পৃথকভাবে অথবা যৌথ ও পৃথক উভয়ভাবেই কার্য সম্পাদনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইয়াছেন কিনা উহার বিবরণ:
১৩। পক্ষগণের অভিপ্রায় প্রতিফলনের নিমিত্ত অন্য কোন তথ্য বা বিশেষ শর্ত, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে:
১৪। পাওয়ারগ্রহীতার সম্মতিসূচক স্বাক্ষর:
১৫। পাওয়ারদাতা/দাতাগণের নাম ও স্বাক্ষর :
১৬। অন্যূন ২(দুই) জন সাক্ষীর নাম, পরিচিতি ও স্বাক্ষর :
১৭। মুসাবিদাকারী বা লেখকের নাম, পরিচিতি ও স্বাক্ষর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) :
১৮। পাওয়ারদাতা কর্তৃক বা তাহার পক্ষে প্রদত্ত হলফনামা :
১৯। কর্মকর্তার নাম, পদবিযুক্ত সিল ও তারিখসহ স্বাক্ষর :

তফসিল ক
ফরম– ২

স্থাবর সম্পত্তির বর্ণনা সম্বলিত সাধারণ বা অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পাওয়ারদাতা বা তাহার পক্ষে প্রদত্ত হলফনামা [বিধি ৮(৩)(জ) বা ৯(৩)(ঞ) দ্রষ্টব্য]

হলফনামা

[ রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সনের ১৪২ নং আদেশ, ১৯০৮ সনের রেজিস্ট্রেশন আইনের Section 52A (g) এবং ১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের Section 53E অনুসারে প্রদত্ত হলফনামা ]
বরাবর
……………. (যে কর্মকর্তার সম্মুখে হলফনামা দাখিল হইবে তাহার পদবি ও ঠিকানা)।
হলফকারী/হলফকারীগণের নাম, পরিচিতি ও বয়স ……………
এই মর্মে ঘোষণাপূর্বক হলফনামা প্রদান করিতেছি যে, আমি/আমরা বাংলাদেশের (বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্য দেশের নাগরিক হইলে উক্ত দেশের নাম) নাগরিক।
আমি/আমরা ঘোষণা করিতেছি যে,
(ক) হস্তান্তরের জন্য প্রস্তাবিত স্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশ দালাল (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ, ১৯৭২ (১৯৭২ সনের পি. ও নং ৮) এর অধীন ক্রোকের আওতাধীন নহে;
(খ) হস্তান্তরের জন্য প্রস্তাবিত স্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশ পরিত্যক্ত সম্পত্তি (নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা ও নিষ্পত্তি) আদেশ, ১৯৭২ (১৯৭২ সনের পি. ও নং ১৬) এর অর্থানুযায়ী পরিত্যক্ত সম্পত্তি নহে;
(গ) হস্তান্তরের জন্য প্রস্তাবিত স্থাবর সম্পত্তি আপাতত বলবৎ কোন আইনের অধীন সরকারে বর্তায় নাই, বা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয় নাই;
(ঘ) প্রস্তাবিত হস্তান্তর আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনের কোন বিধানের সহিত সাংঘর্ষিক নহে;
(ঙ) প্রস্তাবিত হস্তান্তর বাংলাদেশ ল্যান্ড হোল্ডিং (লিমিটেশন) আদেশ, ১৯৭২ (১৯৭২ সনের পি. ও নং ৯৮)
এর অনুচ্ছেদ ৫এ অনুযায়ী বাতিলযোগ্য নহে; এবং (চ) হস্তান্তরের জন্য প্রস্তাবিত স্থাবর সম্পত্তির বিবরণ সঠিকভাবে বর্ণিত হইয়াছে এবং উহা অবমূল্য করা হয় নাই এবং উল্লিখিত সম্পত্তি হস্তান্তরকরণে আবেদনকারীর বৈধ অধিকার রহিয়াছে।
আমি/আমরা আরও ঘোষণা করিতেছি যে,
আমি/আমরা হস্তান্তরাধীন জমির নিরঙ্কুশ মালিক। অন্য পক্ষের সহিত বায়না চুক্তি স্বাক্ষর করি নাই বা অন্য কোথাও বিক্রয় করি নাই বা অন্য কোন পক্ষের নিকট বন্ধক রাখি নাই। এই সম্পত্তি সরকারি খাস/অর্পিত বা পরিত্যক্ত সম্পত্তি নয় বা অন্য কোনভাবে সরকারের উপর বর্তায় নাই। দলিলে বর্ণিত কোন তথ্য ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হইয়া থাকিলে তজ্জন্য আমি/আমরা দায়ী হইব এবং আমি/আমাদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করা যাইবে। হস্তান্তরিত জমি সম্পর্কে কোন ভুল, অসত্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করিয়া থাকিলে প্রয়োজনে নিজ খরচায় ভুল শুদ্ধ করিয়া ক্ষতিপূরণসহ নূতন দলিল প্রস্তুত ও রেজিস্ট্রি করিয়া দিতে বাধ্য থাকিব।
উল্লেখ্য দলিলে হস্তান্তরিত সম্পত্তির মূল্য কম দেখানো হয় নাই।
দলিলে বর্ণিত সম্পত্তিতে আমার/আমাদের বৈধ স্বত্ব ও অধিকার বহাল আছে এবং প্রদত্ত বিবরণ আমার/আমাদের জ্ঞান ও বিশ্বাসমতে সত্য। তারিখ :
হলফকারী/হলফকারীগণের স্বাক্ষর।

শনাক্তকারীর ঘোষণা :
এই মর্মে ঘোষণা করিতেছি যে, হলফকারী/হলফকারীগণ আমার পরিচিত এবং আমার সম্মুখে তিনি/তাহারা দলিলে স্বাক্ষর প্রদান করিয়াছেন (বা আমি তাহার বা তাহাদের বা … নং ক্রমিকধারী হলফকারীর নাম বকলমে লিখিয়া দিয়াছি)।
শনাক্তকারীর স্বাক্ষর।

তফসিল ক
ফরম–৩বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রমাণীকরণ [বিধি ১০(১) দ্রষ্টব্য]

[ দ্রষ্টব্য : (১) নিম্নবর্ণিত ২ ও ৩ নং অনুচ্ছেদে লিপিবদ্ধ বিবরণের পার্শ্বে যথাক্রমে পাওয়ারদাতা ও পাওয়ারগ্রহীতার পাসপোর্ট আকারের সাদা পটভূমিতে সম্প্রতি তোলা রঙিন ছবি সংযুক্তক্রমে উভয় ছবি পাওয়ারদাতা কর্তৃক শনাক্তপূর্বক তাহাকে ছবির উপর আড়াআড়িভাবে নিজ দস্তখত ও টিপসহি প্রদান করিতে হইবে, যদি তিনি নাম স্বাক্ষর করিতে অক্ষম হন, তাহা হইলে তাহার পরিচিত কোন ব্যক্তি দ্বারা তাহার নাম বকলমে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে; (২) যে সকল অনুচ্ছেদের প্রয়োজন হইবে না উহার/উহাদের পার্শ্বে ‘প্রযোজ্য
নয়’ উল্লেখ করিতে হইবে; (৩) দলিলে স্থাবর সম্পত্তির বর্ণনা থাকিলে উহা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পাওয়ারদাতার পক্ষে পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক হলফনামা প্রদান করিতে হইবে; (৪) “পরিচিতি” অর্থ রেজিস্ট্রেশন আইনের Section 2 এর Sub-section (1) এ প্রদত্ত “addition”
এর সংজ্ঞা অনুসারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচিতি। ]
ক্রমিক নম্বর … তারিখ …
সংশ্লিষ্ট নোটারি পাবলিক, বা কোন কোর্ট, জজ, ম্যাজিস্ট্রেট, বাংলাদেশের কনসাল বা ভাইস কনসাল বা সরকারের প্রতিনিধির নাম ও ঠিকানা :
ক্রমিক নম্বর … বহি নম্বর … দলিল নম্বর … সন … তারিখ …
সংশ্লিষ্ট সাব–রেজিস্ট্রার এর কার্যালয়ের নাম ও ঠিকানা :
দলিলের প্রকৃতি মৌজা থানা/উপজেলা জেলা পণমূল্য (যদি থাকে)

১। সম্পাদনের তারিখ :
২। পাওয়ারদাতা/দাতাগণের নাম ও পরিচিতি :
৩। পাওয়ার গ্রহীতা/গ্রহীতাগণের নাম ও পরিচিতি :
৪। পাওয়ারদাতা/দাতাগণের পাসপোর্টের বিবরণ:
৫। পাওয়ারদাতা কর্তৃক প্রদেয় বিশেষ, সাধারণ বা অপ্রত্যাহারযোগ্য ক্ষমতা প্রদানের উদ্দেশ্য ও প্রদেয় ক্ষমতার বিবরণ এবং পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক সম্পাদিতব্য দায়িত্ব ও কার্যাবলীর বিস্তারিত বিবরণ :
৬। এই পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলটি বিধি মোতাবেক পাওয়ারগ্রহীতা কর্তৃক বাংলাদেশের কোন উপযুক্ত সাব–রেজিস্ট্রারের নিকট রেজিস্ট্রির নিমিত্ত দাখিল করিবার ক্ষমতা প্রদান সংক্রান্ত বিবরণ:
৭। স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়, বিক্রয়ের চুক্তি বা ঋণ গ্রহণের বিনিময়ে বন্ধক প্রদান সংক্রান্ত ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে উহার বিবরণসহ সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা; অথবা ভূমি উন্নয়ন সংক্রান্ত কোন ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে, উহার বিবরণ ও উহাতে সৃজিতব্য প্লটের বা নির্মিতব্য ভবনের বিস্তারিত বিবরণসহ সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা; অথবা ভূমি উন্নয়ন ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কোন ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে উহার বিবরণসহ সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা; (প্রত্যেক ক্ষেত্রেই রেজিস্ট্রেশন আইনের Section 52A তে বিধৃত বিষয়াদি সন্নিবেশ করিতে হইবে); অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা :
৮। ভূমি উন্নয়ন সংক্রান্ত কোন ক্ষমতা প্রদত্ত হইলে, প্রস্তাবিত ভূমি উন্নয়ন কার্য সম্পন্নের পর উহা হইতে অর্জিত যে অংশ পাওয়ারগ্রহীতা প্লট, ইমারত বা স্পেস আকারে বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন উহার বিবরণ :
৯। আইনের ধারা ২(২) অনুসারে সম্পত্তির পণমূল্য;
১০। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পাওয়ারদাতা কর্তৃক গৃহীত কোন অর্থ, যদি থাকে, বা কোন আর্থিক লেনদেন, যদি হয়, তবে উহার বিবরণ;
১১। আর্থিক দায় ও দায়িত্ব, যদি থাকে, উহার বিবরণ :
১২। প্রদেয় ক্ষমতা প্রয়োগের নির্দিষ্ট মেয়াদ, যদি থাকে :
১৩। পাওয়ারদাতা একাধিক হইলে তাহারা যৌথভাবে, বা পৃথকভাবে ক্ষমতা প্রদান করিয়াছেন কিনা উহার বিবরণ; এবং নিযুক্ত অ্যাটর্নি একাধিক হইলে তাহারা যৌথভাবে, বা পৃথকভাবে অথবা যৌথ ও পৃথক উভয়ভাবেই কার্য সম্পাদনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইয়াছেন কিনা উহার বিবরণ:
১৪। পক্ষগণের অভিপ্রায় প্রতিফলনের নিমিত্ত অন্য কোন তথ্য বা বিশেষ শর্ত, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে :
১৫। পাওয়ারদাতা/দাতাগণের নাম ও স্বাক্ষর :
১৬। এডভোকেট বা সলিসিটর বা দলিল মুসাবিদাকারীর নাম, পরিচিতি ও স্বাক্ষর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) :
১৭। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পাওয়ারদাতার পক্ষে প্রদত্ত হলফনামা :
১৮। উপযুক্ত কর্মকর্তার নাম, পদবিযুক্ত সিল ও তারিখসহ স্বাক্ষর :

ফরম–১
পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অবসান সংক্রান্ত অবহিতকরণ নোটিস [বিধি ১২(১) দ্রষ্টব্য]

[ দ্রষ্টব্য : (১) এই নোটিসে নোটিস প্রদানকারীর পাসপোর্ট আকারের সাদা পটভূমিতে সম্প্রতি তোলা রঙিন ছবি সংযুক্তক্রমে উহাতে আড়াআড়িভাবে তাহার স্বাক্ষর ও টিপ প্রদান করিতে হইবে; (২) “পরিচিতি” অর্থ রেজিস্ট্রেশন আইনের Section 2 এর Sub-section (1) এ প্রদত্ত “addition” এর সংজ্ঞা অনুসারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচিতি। ]
নথিভুক্তির ক্রমিক নং … তারিখ …
সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের নাম ও ঠিকানা :
প্রতি (যে কর্মকর্তা বরাবরে নোটিস দাখিল করা হইবে তাহার নাম ও ঠিকানা) সমীপে—
যথাযথ সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, বিগত … … তারিখে নিম্নবর্ণিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অবসানের কারণে এই নোটিসখানি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫ এর বিধি ১২(১) এর অধীন নথিভুক্তির নিমিত্ত আপনার কার্যালয়ে দাখিল করা হইল।
১। নোটিস দাখিলের তারিখ :
২। নোটিস প্রদানকারীর (পাওয়ারদাতা বা পাওয়ারগ্রহীতা বা বৈধ প্রতিনিধি বা কোন স্বার্থযুক্ত ব্যক্তি) নাম ও পরিচিতি:
৩। সংশ্লিষ্ট পাওয়ার অব অ্যাটর্নি যে কার্যালয়ে নিবন্ধিত বা প্রমাণীকৃত, উহার নাম ও ঠিকানা :
৪। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিবন্ধন বা প্রমাণীকরণের নম্বর, সন ও তারিখ :
৫। পাওয়ার অব অ্যাটর্নির বাতিল বা অবসানের কারণ ও তারিখ :
৬। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল বা অবসান সম্পর্কিত সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) :
৭। পাওয়ার অব অ্যাটর্নিতে অন্তর্ভুক্ত সম্পত্তির বর্ণনা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) :
৮। অন্য কোন প্রাসঙ্গিক মন্তব্য (যদি থাকে) :
৯। নোটিস প্রদানকারী প্রদত্ত ঘোষণা : আমি (২নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নোটিস প্রদানকারীর নাম ও পিতার নাম) … … … … এই মর্মে ঘোষণা করিতেছি যে, এই নোটিসে প্রদত্ত ও বর্ণিত সকল তথ্য আমার জ্ঞান ও বিশ্বাসমতে সম্পূর্ণ সত্য ও সঠিক।
১০। নোটিস প্রদানকারীর নাম ও স্বাক্ষর :
১১। অন্যূন ২(দুই) জন সাক্ষীর নাম, পরিচিতি ও স্বাক্ষর :
১২। এডভোকেট বা সলিসিটর বা দলিল মুসাবিদাকারীর নাম, পরিচিতি ও স্বাক্ষর:

তফসিল খ
ফরম–২পাওয়ার প্রত্যাহার বা সমর্পণ সংক্রান্ত নোটিস
[বিধি ১২(২) দ্রষ্টব্য]

[ দ্রষ্টব্য : এই নোটিসে নোটিসপ্রদানকারীর পাসপোর্ট আকারের সাদা পটভূমিতে সম্প্রতি তোলা রঙিন ছবি সংযুক্তক্রমে উহাতে আড়াআড়িভাবে তাহার স্বাক্ষর ও টিপ প্রদান করিতে হইবে; (২) “পরিচিতি” অর্থ রেজিস্ট্রেশন আইনের Section 2 এর Sub-section (1) এ প্রদত্ত “addition” এর সংজ্ঞা অনুসারে
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচিতি। ]
ক্রমিক নং … তারিখ …
সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের নাম ও ঠিকানা :
জনাব … … … (প্রাপকের নাম, পরিচিতি ও ঠিকানা) সমীপে–
আমি (পাওয়ারদাতা বা পাওয়ারগ্রহীতার নাম, পরিচিতি ও ঠিকানা) … … … এতদ্দ্বারা আপনাকে এই মর্মে নোটিস দিতেছি যে, নিম্নে উল্লিখিত ১নং তফসিলে বর্ণিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল দ্বারা আমি আপনাকে আমার অ্যাটর্নিরূপে কাজ করিবার ক্ষমতা প্রদান করিয়াছিলাম (বা আমি আপনার অ্যাটর্নিরূপে নিযুক্ত হইয়া কার্যাদি সম্পন্ন করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইয়াছিলাম)।
২। বর্তমানে অনিবার্য কারণে (বা সুনির্দিষ্ট কোন কারণে) উক্ত ক্ষমতা প্রত্যাহার (বা সমর্পণ) করা একান্ত আবশ্যক হওয়ায় এই নোটিস দ্বারা আমি উক্ত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলমূলে প্রদত্ত (বা উক্ত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলমূলে প্রাপ্ত)
ক্ষমতা এতদ্বারা সম্পূর্ণ/আংশিকরূপে প্রত্যাহার (বা সমর্পণ) করিলাম। [প্রদত্ত ক্ষমতা আংশিকরূপে প্রত্যাহার করা হইলে উহার সুস্পষ্ট বর্ণনা প্রদান করিতে হইবে।]
৩। উল্লেখ্য, উক্ত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল নিবন্ধন/প্রমাণীকরণের ফলে কোন প্রকার বিরোধের উদ্ভব হয় নাই বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ১৩ ধারা এর বিধান মোতাবেক বিরোধ নিষ্পত্তির কোন পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন হয় নাই।
সেমতে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫ এ বর্ণিত বিধান অনুযায়ী এই নোটিস আপনার জ্ঞাতার্থে ও কার্যার্থে অদ্য … … … তারিখে আপনার ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাকযোগে (বা ক্যুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বা … … … মাধ্যমে) প্রেরিত হইল।
১নং তফসিল : পাওয়ার অব অ্যাটর্নির বিবরণ
১। পাওয়ারদাতা/দাতাগণের নাম ও পরিচিতি :
২। পাওয়ারগ্রহীতা/গ্রহীতাগণের নাম ও পরিচিতি :
৩। যে কার্যালয়ে নিবন্ধিত বা প্রমাণীকৃত হইয়াছে উহার নাম ও ঠিকানা :
৪। নিবন্ধন বা প্রমাণীকরণের নম্বর, সন ও তারিখ :

২নং তফসিল : তফসিল বর্ণনা
১। জেলা, উপজেলা, থানা, মৌজার নাম ও জে. এল নম্বর :
২। সি.এস; এস. এ; আর. এস; বি. এস; মহানগর জরিপ ও খারিজা (যাহা প্রযোজ্য) খতিয়ান ও তদানুযায়ী দাগ নম্বর :
৩। সম্পত্তির শ্রেণি, পরিমাণ ও চৌহদ্দি :
৪। অন্য কোন বিবরণ (যদি থাকে) :
এডভোকেট বা সলিসিটর বা দলিল মুসাবিদাকারীর নাম, পরিচিতি ও স্বাক্ষর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) :
পাওয়ারদাতা বা পাওয়ারগ্রহীতার নাম ও স্বাক্ষর:
অনুলিপি ……….. ( যে কর্মকর্তার কার্যালয়ে নোটিসটি নথিভুক্ত করা হইবে তাহার নাম ও ঠিকানা) বরাবর
সদয় অবগতি ও তাহার কার্যালয়ে নথিভুক্তির নিমিত্ত দাখিল করা হইল।
নোটিস দাখিলকারীর নাম ও তারিখসহ স্বাক্ষর:

তফসিল খ
ফরম–৩
নিবন্ধিত দলিল দ্বারা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অবসান সংক্রান্ত নোটিস [বিধি ১৩(২) দ্রষ্টব্য]

[ দ্রষ্টব্য : এই নোটিসে নোটিসপ্রদানকারীর পাসপোর্ট আকারের সাদা পটভূমিতে সম্প্রতি তোলা রঙিন ছবি সংযুক্তক্রমে উহাতে আড়াআড়িভাবে তাহার স্বাক্ষর ও টিপ প্রদান করিতে হইবে; (২) “পরিচিতি” অর্থ রেজিস্ট্রেশন আইনের Section 2 এর Sub-section (1) এ প্রদত্ত “addition” এর সংজ্ঞা অনুসারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচিতি। ]
ক্রমিক নম্বর … তারিখ …
কার্যালয়ের নাম ও ঠিকানা :
প্রতি
(যে কর্মকর্তা বরাবরে নোটিস দাখিল করা হইবে তাহার নাম ও ঠিকানা) সমীপে যথাযথ
সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, নিম্নে উল্লিখিত ১নং তফসিলে বর্ণিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল দ্বারা আমি/আমরা … … … কে আমার/আমাদের অ্যাটর্নিরূপে কাজ করিবার জন্য ক্ষমতা প্রদান করিয়াছিলাম (বা আমি/আমরা … … … অ্যাটর্নিরূপে নিযুক্ত হইয়া কার্যাদি সম্পন্ন করিবার জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত হইয়াছিলাম)।
২। বর্তমানে অনিবার্য কারণে (বা সুনির্দিষ্ট কোন কারণ থাকিলে উহা উল্লেখ করিতে হইবে) উক্ত ক্ষমতা প্রত্যাহার (বা সমর্পণ) করা আবশ্যক হওয়ায় ২নং তফসিলে বর্ণিত একখানি দলিল নিবন্ধনক্রমে প্রদত্ত ক্ষমতা সম্পূর্ণ/আংশিকরূপে প্রত্যাহার/প্রত্যর্পনপূর্বক উল্লিখিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অবসান (বা সমাপ্তি) ঘটানো হইয়াছে। [প্রদত্ত ক্ষমতা আংশিকরূপে প্রত্যাহার করা হইলে উহার সুস্পষ্ট বর্ণনা দিতে হইবে।]
৩। উল্লেখ্য, উক্ত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল নিবন্ধন/প্রমাণীকরণের ফলে কোন প্রকার বিরোধের উদ্ভব হয় নাই বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ১৩ ধারা এর বিধান মোতাবেক বিরোধ নিষ্পত্তির কোন পদক্ষেপ গ্রহণের আবশ্যকতা নাই।
সেমতে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫ এর বিধি ১৩(২) অনুযায়ী আপনার কার্যালয়ে নথিভুক্তকরণের নিমিত্ত অদ্য … … … তারিখে উক্ত দলিলের সহিমোহরকৃত নকল সহযোগে এই নোটিস দাখিল করা হইল।
১নং তফসিল : পাওয়ার অব অ্যাটর্নির বিবরণ
(১) পাওয়ারদাতা/দাতাগণের নাম ও পরিচিতি :
(২) পাওয়ারগ্রহীতা/গ্রহীতাগণের নাম ও পরিচিতি :
(৩) যে কার্যালয়ে নিবন্ধিত বা প্রমাণীকৃত হইয়াছে উহার নাম ও ঠিকানা :
(৪) পাওয়ার অব অ্যাটর্নির নিবন্ধন বা ভুক্তি নম্বর, সন ও তারিখ :
২নং তফসিল : পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল সংক্রান্ত দলিলের বিবরণ
(১) দলিলের শিরোনাম :
(২) সম্পাদনকারীর নাম ও পরিচিতি :
(৩) যে কার্যালয়ে নিবন্ধিত হইয়াছে উহার নাম ও ঠিকানা :
(৪) নিবন্ধন নম্বর, সন ও তারিখ :

৩নং তফসিল : সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা
(১) জেলা, উপজেলা, থানা, মৌজার নাম ও জে. এল নম্বর :
(২) সি.এস; এস. এ; আর. এস; বি. এস; মহানগর জরিপ ও খারিজা (যাহা প্রযোজ্য) দাগ ও খতিয়ান নম্বর :
(৩) পাওয়ার অব অ্যাটর্নিতে অন্তর্ভুক্ত সম্পত্তির শ্রেণি, পরিমাণ ও চৌহদ্দি :
(৪) অন্য কোন বিবরণ :
পাওয়ারদাতা/দাতাগণের বা পাওয়ারগ্রহীতা/গ্রহীতাগণের নাম ও স্বাক্ষর :
এডভোকেট বা সলিসিটর বা দলিল মুসাবিদাকারীর নাম, পরিচিতি ও স্বাক্ষর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) :
অনুলিপি ……….. ( যে কর্মকর্তার কার্যালয়ে নোটিসটি নথিভুক্ত করা হইবে তাহার নাম ও ঠিকানা) বরাবর সদয় অবগতি ও তাহার কার্যালয়ে নথিভুক্তির নিমিত্ত দাখিল করা হইল।
নোটিস দাখিলকারীর নাম ও তারিখসহ স্বাক্ষর :

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মোহাম্মদ শহিদুল হক
সচিব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *